Articles
বার্মিজ উপ-রাষ্ট্রপতি ও উচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের মংডূ প্রর্দশন
মংডূ,আরাকান।বার্মিজ উপ-রাষ্ট্রপতি সাই মক কাম ও সামরিক উপদেষ্টা এবং উপ-সেনা প্রধান গত
বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় দক্ষিন মংডুর আলি তন ক তে পৌছান দুটি হেলিকপ্টারে করে।একজন
গ্রাম প্রশাসন সদস্য এর সত্যতা স্বীকার করেন ।

উপ-রাষ্ট্রপতি ও অফিসাররা স্থানীয় ৭ নং এলাকার নাসাকা কর্মকর্তা ও নাতালা গ্রামবাসীদের সথে
দেখা করেন এবং প্রতি পরিবারকে ৫ লাখ ক্যত করে প্রদান করেন কিন্তু তিনি আলি তন ক এর রোহিঙ্গা
দের সাথে দেখা করেননি এবং কোন সাহায্য প্রদান করেন নি।
"উপ রাষ্ট্রপতি সকাল ১০টা ৪৫ এ আলি তন ক ছেড়ে নং ছং নাতালা গ্রামে গিয়ে ৫ মিনিট অবস্থান করেন
এরপর তারা মংডূ ফুটবল মাঠে নেমে সেখানে অবস্থান নেন।"
ইউএন মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিনিধি টমাস ওজি কুইন্টানা এর মংডূ পরিদর্শনের কয়েকদিন পর উপ-রাষ্ট্রপতি
এই সফর করলেন,হয়ত তাদের মংডূ ও বুতিদং নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে,এবং এই দুই জায়গার অধিকাংশই
রোহিঙা।
উক্ত দলটি বমু গ্রাম পরিদর্শন করেন যেখানে কেবল অল্প সংখ্যক মগ বাস করে এবং রোহিঙাদের অবস্থান পরিদর্শন
করতে জাননি।উল্লেখ্য গত ১৫ জুন আরএনডিপি এর সদস্যদের সাথে জেলা প্রশাসক অন মিন্ত সো উক্ত এলাকা
পরিদর্শন করেন।
"হয়ত তাদের এই গ্রাম নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে এবং আরো ভবিষ্যত দাঙার ভয়ে রোহিঙ্গারা ভীতির মধ্যে দিন
কাটাচ্ছে উক্ত গ্রামে।"
জুনের শুরুর দিকে শুরু হওয়া দাঙার পর এলাকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়ের সমলোচনার পর
এই সফর বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।উল্লেখ্য মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ আর্ন্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বিদেশী সরকার সরকারকে বৌদ্ধদের
পক্ষ নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে।
এইচআরডব্লিউ আগস্টে প্রচারিত রিপোর্ট এ বলেছে যে সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরূদ্ধে নির্যাতনে মদদ ধিচ্ছে,এবং রোহিঙ্গারা
হত্যা,লুন্ঠন ও বিনা অভিযোগে গ্রেফতার এর সম্মুখীন হচ্ছেন।
২৭ জুলাই প্রকাশিত এক বক্তব্যে ইউএন মানবাধিকার কমিশনার নাবি পিল্লাই জানান যে আরাকান রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়রা নির্যাতনের
স্বীকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশী এবং তাদেরকে টার্গেট করে করে গ্রেফতার ও নির্যাতনের সম্মুখীন করা হচ্ছে।
এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মুসলিম রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমার সরকারের পক্ষপাতমূলক দৃষ্টির সমলোচনা করেছেন।
তবে বার্মিজ সরকার এর বিবৃতিতে বলেছে তারা সহিংসতা পরিহার করে বার্মার আরাকানে পরিস্থিতি উন্নয়নের চেষ্টা করছে।


