Articles

মার্কেট থেকে চাল আনতে অনুমতি দিচ্ছে না

 

মংডু,আরাকান।মংডু জেলা প্রশাসক উ অং মিন্ত সো ও একজন সাধক ভেন নিরাপত্তা বাহিনী ও রাখাইনদের

নির্দেশ দিয়েছেন যাতে রোহিঙারা মার্কেট থেকে চাল নিতে না পারেন জানান একজন গ্রাম প্রশাসক।

মংডু জেলা প্রশাসক উ অং মিন্ত সো ও শহর কর্মকর্তা উ কি স্যান রোহিঙাদের গত ১৫ জুলাই থেকে দোকান চালু

 

করতে বলেন এবং এটাও বলেন যে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে কিন্তু পরবর্তীতে দোকান খোলার পর

 

দেখা যায় তাদের কোন নিরাপত্তা নেই।

রাখাইন যুবক ও ভিক্ষুরা রোহিঙ্গাদের দোকান থেকে আসা ও মালপত্র নিয়ে ফেরার পথে তাদের ছবি

তুলছে এবং তাদের মারধোর ও করছে,রোহিঙ্গাদের কোন নিরাপত্তা নেই,যদিও সরকার বলছে তাদের

তা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আই তুন সেন গতকাল সন্ধায় ২ নং ওয়ার্ড থেকে ৪ জন রোহিঙা যুবক থেকে ৪ বস্তা চাল ছিনিয়ে

নেয় যা তারা ঘরে নিয়ে যাচ্ছিল,জানান একজন ছেলে যার বস্তা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সে বলেছে যে,তারা রোহিঙ্গা গ্রাম দিয়ে যাচ্ছিল কারণ তারা ভয় পাচ্ছিল তাদের থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে

কিন্তু এর পর ও এরূপ ঘটনা ঘটেছে।উল্লেখ্য উক্ত বস্তা সমূহ ক্লক টাওয়ার জাংশনের জেনারেটরের পাশে

রাখা হয়েছে বলে জানায় তারা।

রোহিঙা সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা বাহিনী ত্রানের জন্য দেওয়া সামগ্রী উচ্চমূল্যে বক্রি করছে  কিন্তু এখন বুদ্ধ ভিক্ষুরা

রোহিঙাদের কিছু বিক্রি করতে মানা করছে ফলে তাদের বেচে থাকা অনেক কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

উল্লেখ্য পুলিশ ও রাখাইনরা দাঙার সময় জিনিসপত্র লুন্ঠন করেছে এবং অধিকাংশ জিনিস স্টোর করে রাখা

হয় জেনারেটর কম্পাউন্ডে এবং তারা মঠগুলো যেখানে রাখাইনরা শরনার্থী সেজে আশ্রয় নিয়েছে সেখানে পাঠানো

হয়,আর এখন তারা অধিক মূল্যে রোহিঙ্গাদের এসব বিক্রি করছে।

মংডূর ভিক্ষু ও মঠসমূহে আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় ত্রান প্রদান করে নি কারণ তারা রাখাইন ও রোহিঙা উভয়পক্ষকে

ত্রান প্রদান করবে,রোহিঙারা মার্কেট থেকে ক্ষতির সম্ভাবনা নিয়ে জিনিসপত্র কিনছে,অন্যদিকে রাখাইন ভিক্ষুরা

জানে তাদের স্থানীয় ডোনররা ত্রান প্রদান করবে যারা প্রকৃত শরনার্থী না,আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায়কে দেখানোর জন্য

রোহিঙারা প্রকৃত অপরাধী তারা ক্যাম্পে অবস্থান করছে যেখানে প্রকৃতপক্ষে রোহিঙারা নির্যাতনের মুখোমুখি ও তারা

প্রকৃত শরনার্থী।রোহিঙ্গারা তাদের ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে আত্নীয়স্বজনের সাথে বাস করছে এবং সরকার তাদের

জন্য কোন ক্যাম্প বানায়নি।রোহিঙারা এখন তাদের বাঁচার জন্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

 

 

Rohingya Ma