Sunday, 19 May 2019

পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় প্রথম দুইটি জন্মের পর শরনার্থী শিশূদের জন্য রেশন বন্ধের প্রস্তাবনা দিয়েছে,
উল্লেখ্য গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট কুতুপালং ক্যাম্প এ সফরের পর তারা এই সিদ্বান্ত দেন বলে জানান
শরনার্থীরা।

প্যানেল এর সদস্যরা আরো জানান উক্ত সমস্যা আরো খারাপ হচ্ছে কারণ বার্মিজ রোহিঙারা প্রতিদিন
সংখ্যায় বাড়ছেন এবং তা স্থানীয়দের চেয়ে  বেড়ে যেতে পারে আরো জলদি!
এছাড়া একটি সংসদীয় প্যানেল রোহিঙা শরনার্থীদের জন্য বিশেষ জন্ম নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থার অনুরোধ জানিয়েছেন
কারণ  অনেক রোহিঙা শরনার্থী বড় পরিবার হলে বেশী রেশন পাবেন সে জন্যে পরিবারের সদস্য সংখ্যা বাড়াতে
আগ্রহী। শিশু যারা ক্যাম্পে জন্মগ্রহন করে তারা জন্মের পর সম্পূর্ন রেশন পান বলে জানায় সুত্র।
একজন শরনার্থী নেতা জানান,শিশূদের রেশন বন্ধের পর তারা পুষ্টিহীনতাইয় ভুগছেন ,ফলে তাদের অভিভাবকরা
তাদের গ্রামে শ্রমিক হিসেবে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন ফলে তারা শিক্ষাধিকার থেকে বঞ্ছিত হচ্ছেন।
বাংলাদেশ সরকার অনুমান করছে বর্তমানে নয়াপাড়া ও কুতুপালং ক্যাম্পে ৩০০০০ জন রোহিঙা শরনার্থী আছে এবং
এটি ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৫০ লক্ষ অনিবন্ধিত রোহিঙা বাংলাদেশে আছে।
বার্মাকে অনেকবার বলা হলেও তারা রোহিঙাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে এবং বাংলাদেশ সরকার বলছে
রোহিঙারা অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
সংসদের প্রধান মিসেস নিলুফার জাফর উল্লাহ,পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিসেস দীপু মনি ও কমিটি সদস্য মিসেস নাজমা আখতার রোহিঙা
ক্যাম্পে গিয়ে নিজ চোখে সমস্যাগুলো দেখে আসেন এবং সেপ্টেম্বর এর ১৭ তারিখে তারা একটি রিপোর্ট প্রদান করেন।
উল্লেখ্য প্রতি শরনার্থী ১২ কেজি করে চাল পান এবং তারা জন্ম নিয়ন্ত্রনে আগ্রহী নন কারণ  শিশুরা সম্পূর্ন রেশন পান,
এবং কোন কোন পরিবারে ১৮ জন সদস্যো আছেন। মিসেস নিলুফার জাফর জানান রোহিঙাদের সংখ্যা বাড়ছে কারন
তারা খাবার পান।
"সমস্যাগুলোর মাঝে হল স্থানীয়দের চেয়ে সংখ্যা না বাড়ার জন্য জন্মনিয়ন্ত্রন নীতি প্রনয়ন করতে বলা হয়েছে।
৩০০০০ জন শরনার্থী যারা ক্যাম্পে আছেন তাদের অধিকাংশের জন্ম ক্যম্পে,এবং প্রায় ৫৮ ভাগ এর অর্ন্তভুক্ত।
এছাড়া ২৩টি বিদ্যালয় আছে এবং অনেকে পড়ছেন।
রোহিঙাদের  ফেরত পাঠানোর উপর জোর দিয়ে মিসেস নীলুফার জানান রোহিঙারা তাদের ঘরে ফেরত যেতে চান ,
এবং যারা এর সাথে জড়িত তাদের বলা হয়েছে যাতে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙাদের ফেরত পাঠানো হয়।