Thursday, 21 September 2017

টেকনাফ,বাংলাদেশ।দশজন রোহিঙা যারা জেলে বেশে মালেয়শিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিল তাদেরকে শাহ পরীর দ্বীপ থেকে বিজিবি আটক করে।
"সাপ্রান বিজিবি আউটপোস্টের নায়েব সুবেদার মোহাম্মদ ওয়াজিব উদ্দিন এর নেতৃত্বে একদল বিজিবি তাদেরকে নারিকেল বাগান এর পিছনে লুকানোর
চেষ্টাকালে গ্রেফতার করে।"

গ্রেফতারকৃতরা হলঃমো সিরাজ(২৫),মো তাহের(১৬),সোনা মিয়া(২৫),ইমান হুসেন(২৬),নুর হোসেন(২৫),আবুল হোসেন(৪০),সলিম উল্লাহ(১৬),আমান উল্লাহ(২১),
আব্দুল হামিদ(৩৮),ও নুর হাকিম(৬০)।"
যাত্রীরা প্রত্যেকে সেলিম মাঝিকে ৩০০০০ টাকা করে দেয় যার দ্বায়িত্ব ছিল তাদের মালেয়শিয়ায় পৌছানো।
বিজিবি টেকনাফে এ বিষয়ে মামলা করেছে বলে জানান লে কর্নেল জাহিদ হাসান।
এর আগে ১৩ ডিসেম্বর রাতে ১১০ জন যাত্রী নিয়ে একটি বোট ডুবে যায় এবং অনেকে এখনও নিখোজ আছেন।
বাংলাদেশ ত্থেকে মালেয়শিয়া যাওয়ার পথ ঝুকিপূর্ন এবং অনেকেই পথিমধ্যে মারা যায় নৌকাডুবিতে।
"সম্প্রতি রেঙ্গুন থেকে একজন পুলিশ অফিসার মংডূতে এসে দক্ষিন মংডূর যে জায়গায় বোট ডূবি হয় তা পরীক্ষা করেন অতঃপর তিনি এক বৈঠকে বলেন যে
যাতে তারা থাইল্যান্ড বা মালেয়শিয়াতে মানুষ না পাঠায় কারণ তাদের থাই ও বার্মিজ কতৃপক্ষ গ্রেফতার করতে পারে,এবং ভবিষ্যতে বার্মার পরিস্থিতি উন্নত হবে
তখন আর এভাবে যাওয়ার দরকার নাই।"
টেকনাফ পুলিশ প্রধান মাহবুবুল হক জানান,নভেম্বর এর প্রথম থেকে ২০০ জন আটক হয়েছে মালেয়শিয়া যাওয়ার পথে এবং এদের থেকে ১০০ জন রোহিঙা।
"আমাদের গোয়েন্দারা সীমান্তে পাহারা দিচ্ছে এবং তারা আমাদের খবর দিয়ে দেয় কোন কিছু হলে।"
কিন্তু আমি ভয় পাচ্ছি যে হয়তবা অনেক বোট পালিয়ে গিয়েছে।
"পাচারকারীরা ২০০০০ টাকা করে খুজে যা রিক্রুটিং এজেন্সীগূলো থেকে কম।"
বাংলাদেশে বর্তমানে ২৮০০০ শরনার্থী আছে যারা দুটো ক্যাম্পে বাস করে এছাড়া আরো ২০০০০০ থেকে ৩০০০০০ অনিবন্ধিত শরনার্থী আছে,জানায় সরকার।
অনেক শরনার্থীর কাছে ক্যাম্পের ক্ষুধা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থেকে সমুদ্রভ্রমন ভালো অনে হয়,এবং অনেকেই জানে এটি আত্নহত্যার সামিল।"
কিন্তু কোন রাস্তা না থাকায় তারা এ পথ নিতে বাধ্য হয়।