Wednesday, 21 November 2018

মংডূ,আরাকান।রোহিঙ্গারা যাদের সম্পত্তি আছে-তাদের নিরাপত্তা বাহিনীকে অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে এমনকি সামান্য পুকুরের জন্যও,
গত ২৯ এপ্রিল রশিদ নামে একজন গ্রাম মোড়ল উক্ত কথা বলেন।

কি পিন সে গ্রামের রোহিঙ্গা বাসিন্দা-মোহাম্মদ সায়েদ,২৫, নুরুল আলম,১৫, হাশিম ১৬ এবং জলিল যারা আব্দুস সালাম এর মালিকানাধীন
পুকুরে মাছ ধরছিল তখন নাতালা গ্রামবাসীদের দুই জন রাখাইন গ্রামবাসী উক্ত জায়গায় এসে মাছ ধরতে চায়, যার মধ্যে একজন পুকুরে মাছ ধরার
চেষ্টা চালায় আর একজন ভিতরে বসে ছিল কুটীরে। যখন রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তারক্ষী তাদের বাঁধা দেয় তখন তারা ঝগড়ায় লিপ্ত হয়।
কুটিরে বসে থাকা রাখাইন কাঁকড়া পুড়িয়ে খাচ্ছিল, তখন অপর রাখাইন পুলিশ নিয়ে আসে ও উক্ত রাখাইনকে খুঁজে, তখন রোহিঙ্গারা বলে
সেখানে কিছুই ঘটে নি , এবং পুলিশ চারজন রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করে ও তাদের কাছে ড্রেন পাইপ এ কাজ করার সামগ্রী যার মধ্যে হাতুড়ি,
করাত ও ছুরি ছিল তা নিয়ে নেয়, পরে তাদের মংনামা স্কুল এ আনা হয় ও আটক করে রাখা হয়।
রাখাইনরা অভিযোগ করেছে রোহিঙ্গারা আক্রমণ করে একজন রাখাইনকে মেরে ফেলেছে কিন্তু তারা দেখেছে যে উক্ত রাখাইন সেখানে কাঁকড়া
খাচ্ছিল।
পরে পুলিশ তাদের স্বাক্ষর নেয় এই বলে যে কোন রাখাইন নাগরিক সেখানে মাছ ধরতে পারবে  ,এর ফলে এটা প্রমাণিত হয় যে , রোহিঙ্গাদের নিজের সম্পত্তির
উপর কোন অধিকার নাই, এবং রোহিঙ্গাদের জন্য সব কিছুই তাদের বিপরীতে কাজ করছে, বলে জানান হাসান নামে একজন।