Thursday, 21 September 2017


চট্টগ্রাম,বাংলাদেশ|| জাতিসংঘ শরনার্থী কমিশন ঢাকার প্রধান স্টিনা লুংদেল বাংলাদেশী

দৈনিক ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শরনার্থীদেরবাংলাদেশ থেকে

আরাকানে পূর্নঃবাসন এখনই সম্ভব নয়।
"তাদের মাতৃভূমিতে অবস্থা ভাল নয় এবং এখন উত্তর আরাকানে ২০১২ সাল থেকে চলে

আসা দাঙ্গা নিরসণ না হওয়া পর্যন্ত কোন পূর্নঃবাসন সমূচিত হবে না।"
" জাতিসংঘের বার্মার বিশেষ দূত এর রিপোর্ট দেখলে যা বুঝা যায়, রোহিঙ্গাদের পূর্নঃবাসন

মোটেই সমূচীন হবে না। ইউএনএইচসিআর তাদের পূর্নঃবাসন করতে সাহায্য করে নিজ দেশে

যেখানে মর্যাদার সাথে তারা বাস করতে পারবে।"
বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরনার্থীদের কনভেনশনে স্বাক্ষর করেনি এবং স্টিনা লুংদেল আশা প্রকাশ

করছেন, বাংলাদেশ এতে স্বাক্ষর করবে, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত

কেবল বিদেশী আইন আছে এবং তাতে যে কোন বিদেশীর কারণ ছাড়া এখানে
অবস্থান অবৈধ যদি না সে নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে আসে সে জন্যেও।"
একজন  শরনার্থী হল এমন একজন ব্যক্তি যে নিজ দেশে নিরাপত্তাহীনতা,
মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্ছিত হওয়ার ফলে দেশ ছেড়ে আসে। কিন্তু মানবাধিকার
প্রতিবেদনগুলো দেখলে বুঝা যায় যে রোহিঙ্গারা সেখানে মারাত্বক অবিচার এর সম্মুখীন হচ্ছে

এবং অনেকেই ভয় পাচ্ছে তারা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করলে সেখানে
পুনরায় নির্যাতনে স্বীকার হবে। বাংলাদেশ সরকার অবৈধ অভিবাসীদের "অনিবন্ধিত
মিয়ানমার এর নাগরিক বলছে" , অন্যদিকে বার্মা রোহিঙ্গাদের বাঙ্গালী হিসেবে
উল্লেখ করছে। ফলে রোহিঙ্গারা রাষ্ট্রহীনভাবে জীবনযাপন করছে।
"বাংলাদেশ সরকার ১৯৯১/৯২ সালে বাংলাদেশ সরকার এর অনুরোধে এখানে কাজ শূরু করে যখন

২৫০০০০ রোহিংগা প্লালিয়ে এসেছিল, ২০০৫ সাল এর
পর এখন ৩১০০০ শরনার্থী উভয় ক্যাম্পে আছে যেখানের ২৫০০০ জন নিবন্ধিত।
ইউএনএইচসিআর ও সরকার একটি যৌথ ডাটাবেজ তৈরীর চিন্তা করছে।
অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরনার্থীরা অত্যাচার,অবিচার এর স্বীকার ,এবং তাদের
নুন আনতে পান্তা ফুরায় এইরকম অবস্থা।
তিনি যোগ করেন,"এতে অবাক হবার কিছু নেই যে, যদি
তাদের থেকে কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে কারণ অনেক সময় তাদের করার আর কিছু থাকে না,
এটি নোট করতে হবে যে, অধিকাংশের কোন পড়াশোনা নেই এবং তাদের বাহন হিসেবে
ব্যবহার করা হচ্ছে, তাদের দোষ দেওয়ার আগে আমাদের চিন্তা করা উচিত, আমাদের শিশুরা
অনাহারের মুখোমুখি হলে কি হত?"