Tuesday, 19 March 2019

মংডু,আরাকান।  মংডুর বাসিন্দা-যার সিংহভাগ রোহিঙ্গা তারা স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির মধ্যে  আছেন, উল্লেখ্য
বার্মিজ সরকার মেডিসিন সেন্স ফ্রন্টিয়ের্স এর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করার পড় থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে
বলে জানান নুরু নামের একজন গ্রাম্য ডাক্তার।

অধিকাংশ মানুষ-নারী,শিশু বিভিন্ন অসুখে ভুগছেন যার মধ্যে জ্বর, চিকেন পক্স, ডায়রিয়া, চর্মরোগ ,টিউবারকুলোসিস অন্যতম।
এই বছরের আবহাওয়া গরম হবার ফলে গ্রামবাসীরা বিভিন্ন গরম ও চর্ম রোগে ভুগছেন। বৃদ্ধ ও শিশুরা সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত হচ্ছেন এই গরমে,বলে
জানান নুর নামের একজন গ্রাম প্রশাসক।
রোহিঙ্গা গ্রামবাসীরা স্বাস্থ্য সেবার জন্য আর্ন্তজাতিক এনজিও-এমএসএফ এর উপর নির্ভর করে যাদের সরকার নিষিদ্ধ করেছে কারণ তারা রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা সেবা
প্রদান করছিল।
আলি থান ক এর একজন রোগীর পিতা জানান,"আমার মেয়ে জ্বর ও চিকেন পক্স এ আক্রান্ত ২০ এপ্রিল থেকে কিন্তু সে চিকিৎসা পাচ্ছে না কারণ সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্র আমাদের চিকিৎসা
দিচ্ছে না এবং আমি মংডুতে গিয়ে চিকিৎসা করাতে পারব না কারণ আমার সার্মথ্য নাই।"
যখন এমএসএফ দক্ষিণ মংডুতে কাজ করত তখন আমরা যথাযথ চিকিৎসা এতাম কিন্তু এখন আমরা সমস্যায় ভুগছি।
গ্রামবাসীদের মতে , রোহিঙ্গারা স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসা পাচ্ছে না কারণ সেখানের অধিকাংশ ডাক্তার রাখাইন এবং তারা রোহিঙ্গাদের দিকে দৃষ্টি দেন না।
এমএসএফ এর মংডূতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল কারণ তারা দু চিয়া তার গ্রামে দাঙ্গায় ২২ জন আহত রোহিঙ্গার চিকিৎসা করেছিল গত ৯-১৩ জানুয়ারি,
যাতে প্রায় ৮০ জন মারা যায়। সরকারী পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী, নাসাকা, লুন্টিন ,আর্মি এবং "৯৬৯" বৌদ্ধ মৌলবাদীরা হত্যা, ধর্ষণ ও মুসলিমদের নির্যাতন করে বলে জানান,
নুরুল ইসলাম, আর্নো চেয়ারম্যান। গত ২৮ তারিখ লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স "decades of Persecution and Destruction of Myanmar's Rohingya"
শীর্ষক কনফারেন্স এ এই কথা বলেন।