Sunday, 26 May 2019

মংডু,আরাকান।  মংডুর বাসিন্দা-যার সিংহভাগ রোহিঙ্গা তারা স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকির মধ্যে  আছেন, উল্লেখ্য
বার্মিজ সরকার মেডিসিন সেন্স ফ্রন্টিয়ের্স এর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করার পড় থেকে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে
বলে জানান নুরু নামের একজন গ্রাম্য ডাক্তার।

Read more: মংডু শহরে স্বাস্থ্য সমস্যা বেড়েছে

মংডূ,আরাকান। পুলিশ চারজন রোহিঙ্গা গ্রাম প্রশাসককে গত ১৪ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে গ্রেফতার করেছে এই
অভিযোগে তারা তংব্রু লেটওয়ে পুলিশ স্টেশন জ্বালিয়ে দিয়েছে।

Read more: উত্তর মংডুতে আগুন দেওয়ার অভিযোগে আটক ও নির্যাতন এর শিকার

মংডু,আরাকান।মংডুর বাসিন্দা দিলু জানান ,মংডুর অধিবাসীরা নতুন ঘর বাঁধতে বা পুরাতন ঘর মেরামত
করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
কতৃপক্ষ-মংডু শহর প্রশাসন ও জমি -সার্ভে অফিস ও রাজস্ব অফিস-যেখানে রোহিঙ্গাদের জমি সনদ ও ঘর
তৈরী করতে অনুমতি নিতে হয় তার জন্য প্রায় ২০০০০০ ক্যত করে দিতে হবে, যদিও আসলে তা ১০০ ক্যত
এর ফর্ম।
ফর্ম ১০৫ ও ১০৬ , এই দুইটি ফর্ম এর সাথে রোহিঙ্গাদের পরিবারের লিস্ট ও যোগ করতে হয় অনুমতি পেতে।
রোহিঙ্গাদের গ্রাম প্রশাসন অফিসে ৫০০০০ ক্যত ও ৩০০০০০-১০০০০০০ ক্যত শহর প্রশাসনকে দিতে হয়
ঘরের উপর ভিত্তি করে, বাঁশের ঘরের জম্য-২০০০০০ ক্যত, কাঠের জন্য ৫০০০০০ ক্যত ও কনক্রিট ঘরের
জন্য ১০০০০০০০ ক্যত বলে জানান আন্নু।
রাজস্ব অফিস রোহিঙ্গাদের আয় পরীক্ষা করে দেখে সেটির উপর কর প্রয়োগ করা যায় কি না,

অতঃপর রোহিঙ্গাদের থেকে পুনরায় ২০০০০০ ক্যত করে চাওয়া হয়, যেখানে অফিসিয়াল কর বাদ দিয়ে প্রায় ৩০% থেকে

৭০% অফিসারদের কাছে যায়।
এটা কেবল পুরাতন ঘরের পুনঃনির্মানের জন্য , রোহিঙ্গাদের নতুন ঘর নির্মানের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
কতৃপক্ষ এর বিপরীতে কোন প্রমান দেখাতে পারে নি। রোহিঙ্গারা যাতে ভাল দেখতে ঘর বানাতে বা ঘরের
উন্নতি করতে না পারে তাই তারা এরকম নীতি চালু করেছে, বলে জানান একজন মানবাধিকার পর্যবেক্ষক হালিম।
রোহিঙ্গাদের থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে তাদের মৌখিক আদেশ দিয়ে, কিন্তু রাখাইনরা এরূপ সমস্যাতে পড়ছে না।
সূত্র অনুযায়ী দুইজন রোহিঙ্গা ঘর বানানোর অনুমতি পেয়েছে যার জন্য তাদের যথাক্রমে ২৫০০০০ ক্যত ও
৫০০০০০ ক্যত করে দিতে হয়েছে। আজিদা যিনি আগুনে তার ঘর হারিয়েছেন এবং সৈয়দ আলম যার বাড়ি
নষ্ট হয়েছে। তাদেরকে সব ধাপ পালন করতে হয়েছে অনুমতির জন্য।
 অধিকাংশ রোহিঙ্গা তাদের বাড়িঘর পূর্নঃনির্মান ক্রতে চাচ্ছেন কিন্তু এই সমস্ত চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত অর্থ
আদায়ের জন্য তারা তা পারছে না। যদি রোহিঙ্গারা তাদের ঘর যেগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা মেরামত করতে না পারে ,তবে আসন্ন বর্ষাকালে তারা সমস্যায় পড়বে।