Monday, 16 December 2019

মংডু,আরাকান। প্রায় ১০০০ নিরাপত্তা বাহিনী সদস্য-যার মধ্যে পুলিশ,লুন্টিন ও আর্মি ছিল তারা রোহিঙ্গা
গ্রাম-কিলা দং(দু চি ইয়ার তান) ঘেরাও করেছে-এবং নাতালা গ্রামবাসীরা তাদের সামনেই রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি
লুট করছে।

নিরাপত্তা বাহিনী আলি থান ক হাইওয়েতে অবস্থান  নিয়েছে এবং আশেপাশে বড়গাছ এর পাশে আশ্রয় নিয়েছে,
রোহিঙ্গারা যারা পূর্ব পাশ থেকে মহাসড়কে উঠছে তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে,রোহিঙারা গ্রামে বাস করছে।
নিকটবর্তী নাতালা(রাখাইন) গ্রামবাসীরা রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ীতে লুটতারাজ চালাচ্ছে এবং বৃদ্ধ থেকে শূরু করে
কেউ রক্ষা পাচ্ছে না। শিশু ও নারীদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের ট্রাকে করে মংডু থানায় পাঠানো
হয়েছে।
আটজন পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট অং ক তেং গত ১৩ জানুয়ারী একদল রোহিঙ্গা তরুণকে ধাওয়া করে যখন
তারা গ্রাম পাহাড়া দিচ্ছিল,পরে তারা সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে, গ্রামবাসীরা ছুটে আসে এবং তারা পালিয়ে
যায়,পরে পুলিশ পুনরায় রাখাইনদের সাথে এসে বলে যে ,সার্জেন্টকে পাওয়া যাচ্ছে না,পরে এই ব্যাপারে দুই
দলের মধ্যে ঝগড়া শুরু হলে পুলিশ গ্রামবাসীদের উপর আঘাত চালায় এবং একজন গ্রামবাসী আহত হোন।
এদিকে অধিকাংশ গ্রামবাসী পালিয়ে যায় ,কেবল বৃদ্ধ,নারী ও শিশুরা গ্রামে ছিল, পরে সকালে নিরাপত্তা বাহিনী
সমস্ত গ্রামবাসীদের তিনটি ট্রাকে করে তুলে নিয়ে যায়।
পরে রাখাইন গ্রামবাসীরা রোহিঙ্গাদের ঘরে লুট চালায়।তিনটি ট্রাক গ্রামে আসে ও রোহিঙ্গা গ্রামবাসীদের তুলে নিয়ে
যায়।
অধিকাংশ নিরাপত্তা বাহিনী ও কর্মকর্তারা তাকে খুঁজছে কিন্তু উক্ত সার্জেন্টকে পাওয়া যাচ্ছে না,
ভবিষ্যতে কি হবে গ্রামবাসীরা তা নিয়ে ভীত এবং কতৃপক্ষ গ্রামবাসীদের দায়ী করছে সে জন্য।
হয়তবা এজন্য গণহারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন একজন
গ্রাম প্রশাসক।