Thursday, 24 October 2019

মংডু,আরাকান।প্রায় ২০০০ বৌদ্ধ যাদের মধ্যে ভিক্ষু, সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মচারী ছিল,
তারা মংডু শহর প্রশাসক উ কি সান এর নেতৃত্বে "কাসিম পাহাড়" এর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়,
তাদের সবাই একই রকম পোশাক পড়ে ছিলেন, এবং তাতে লেখা ছিল "অং মিং গালা"
পর্বতারোহী।

পাহাড় এর চূড়ায় শহর প্রশাসক একটি বৈঠকে বসেন এবং সেখানে লাউড স্পিকারে
করে এই ঘোষণা দেন যে, কাশিম পাহাড় এখন থেকে অং মিং গালা পাহাড় নামাএ পরিচিত
হবে, উল্লেখ্য তারা এই নাম পরিবর্তনের জন্য গতকাল বৈঠক করে।
উক্ত বৈঠকের জন্য, স্থানীয় গ্রাম প্রশাসক- উ তুন তুন এবং উ কামালা হুসেন ৪ জানুয়ারী থেকে
প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন, এবং তারা চেয়ার,টুল, কাঠের কাঠি, বাশ, কাঠ,সবজি ও মুরগি
জোরপূর্বক আদায় করে।তারা বৈঠকের জন্য গ্রামবাসীদের তাঁবু তৈরী করতে বাধ্য করে এবং
গ্রাম প্রতি ১০০কেজি করে মুরগি আদায় করে।
উল্লেখ্য, কাসিম রাজার পাহাড় নামে পরিচিত এই পাহাড়ের চুড়ায় একদা কাসিম রাজা নামে
একজন রোহিঙ্গা নেতা ক্যাম্প স্থাপন করেন। তিনি উ নু এর সময় বার্মিজ সেনাবাহিনীর বিরূদ্ধে
যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন এবং মংডু, বুতিদং,রতিদং এর অধিকাংশ গ্রাম তার নিয়ন্ত্রনে ছিল, কিন্তু শহরগুলো
তার আওতার বাইরে ছিল, তিনি দক্ষিন মংডূর উ দং এর বাসিন্দা ছিলেন।
এছাড়া জাপান এর একটি প্রতিনিধি দলও উক্ত ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
গ্রামবাসীরা মনে করেন, সরকার পাহাড় চূড়ায় একটি প্যাগোডা বানাবে এবং যার ফলে উক্ত পাহাড়ের
নাম পরিবর্তন করতে তাদের সুবিধা হবে, এহাড়া রোহিঙ্গা কৃষকদের থেকে জোরপূর্বক জমি দখলের মাধ্যমে
তারা মডেল গ্রাম তৈরী করবে বলে আশঙ্কা করেন তিনি।