Monday, 29 May 2017

টেকনাফ,বাংলাদেশগত তিন সেপ্টেম্বর শরনার্থী কমিটির চেয়ারম্যান ইসলাম
।একদল উচ্চপদস্থ ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের নয়াপাড়া
শরনার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

উক্ত প্রতিনিধিদল এ ছিলেন--স্তিনা এ জুংদেল,যিনি ইউএনএইচসিআর ,সালাহউদ্দিন,যিনি
শরনার্থী সহায়তা ও প্রত্যাবর্তন এর উপaসচিব,সালাহউদ্দিন এবং অন্যান্য বাংলাদেশী কর্মকর্তা
নয়াপাড়া ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
শরনার্থীদের মতে ,উক্ত দল নয়াপাড়া ক্যাম্পে ১০টা৩০মিনিটে পৌছান ও নারী সেলাই কেন্দ্র,
জলাধার,বিদ্যালয় ও ঘরগুলো পরিদর্শন করেন।
এর পরে তারা  ক্যাম্পের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে মিলিত হন,উক্ত বৈঠকে সিএমসি চেয়ারম্যান
ইসলাম ও মোহাম্মদ জুবায়ের প্রতিনিধিদলের কাছে আবেদন করেন যাতে তাদের ঘরের চাল মেরামত,
স্বাস্থ্যসেবা ও ক্যাম্পের অভ্যন্তরের রাস্তার উন্নতির আবেদন জানান।
কমিটির সদস্যরা রোহিঙা শরনার্থীর একটি স্থায়ী সমাধান প্রার্থনা করেন যারা দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এখানে বাস করছেন
মিসেস স্টিনা রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন,তারা আরাকানের একটি জাতিস্বত্তয়া যারা বিশ্বে পরিচিত সবচেয়ে নিপীড়িত
জনগোষ্ঠী হিসেবে।
প্রেস রিলিজের মতে,যখন মিসেস স্টিনা তার পরিচয় গত ২৯ আগস্ট দীপু মনির কাছে প্রদান করেন
তখন তাকে দীপু মনি নিচের কথাগুলো বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে একটি স্থায়ী সমাধান নির্ভর করছে রোহিঙা শরনার্থী ও অবৈধ অভিবাসীদের
বার্মাতে স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তন এর উপর নির্ভরশীল।
এছাড়া তিনি আরো বলেন,সরকার ষষ্ঠ শ্রেনী পর্যন্ত তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে,এবং  কারিগরী শিক্ষা,
কম্পিউটার প্রশিক্ষন এবং প্রাথমিক ও মৌলিক চিকিৎসা সেবার  নিশ্চয়তা প্রদান করেছে যাতে তারা
একটি উন্নত জীবনযাপন করতে পারবে প্রত্যাবর্তন করলে।
মিসেস স্টিনা বার্মিজ সরকারকে এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে ৩০ বছর ধরে আশ্রয় প্রদান এর জন্য
বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি জোর দেন,বাংলাদেশের ভাল কাজগুলো অনেক সময় প্রশংসিত হয় না এবং চাপা পড়ে যায় যখন কিনা
বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত বিশ্বের শান্তিপূর্ন শরনার্থী ক্যাম্প এবং তাদের স্বেচ্ছা প্রত্যাবর্তন এ ব্যবস্থা
নেওয়ার জন্য ২০০৫ সালের পূর্ব হতে।উক্ত প্রতিনিধিদল দুপুর ১২টা৩০ মিনিট এ নয়াপাড়া ক্যাম্প ত্যাগ করেন বলে
জানান  সুত্র।