Wednesday, 21 August 2019

আরাকান রোহিঙা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন আরাকান
১৭ জানুয়ারী ২০১২
আর্নো এফসিও এর লিখিত বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে


গত ১৬ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ অফিস হতে প্রকাশিত বক্তব্যকে আরাকান রোহিঙা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন(আর্নো) স্বাগত জানিয়েছে।উল্লেখ্য মন্ত্রনালয় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম হেগের ঐতিহাসিক মিয়ানমার সফর যা তিনি ৫-৬ জানুয়ারী ২০১২ তারিখে সম্পন্ন করেন সে বিষয়ে বক্তব্যটি প্রধান করে।উক্ত বক্তব্যে বলা হয়,"১৯৫৫ সালের পর প্রথম সংগঠিত এই ভ্রমন ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ন।"
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন,"আমি রোহিঙা সম্প্রদায় বার্মাতে যে সমস্ত বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন তা বার্মিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরেছি,উল্লেখ্য রোহিঙারা তাদের নাগরিক অধিকার ও মৌলিক চাহিদা থেকেও বঞ্ছিত হচ্ছে।আমি এবং আমার সরকার এই ব্যাপারে বার্মিজ সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত করব।"আর্ণো ও রোহিঙা সম্প্রদায় তাদের অন্তর থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে।
উল্লেখ্য ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্মিজ রাষ্ট্রপ্রধান উ থিন সেন,পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও নিম্নকক্ষের স্পিকার এর সাথে বৈঠক করে ও তাদেরকে সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য উৎসাহ দেন।তিনি তার মন্তব্যে বলেন, "আমি তাদের জানিয়েছি যে,আর্ন্তজাতিক উন্নয়ন দপ্তর বার্মিজ সরকারকে ১০ মিলিয়ন পাউণ্ড অনুদান দিবে মাইক্রো ফিনেন্স এ ব্যয় করার জন্য এবং আরো ২ মিলিয়ন পাউণ্ড দিবে কাচিন রাজ্যে জনকল্যানমূলক কাজের জন্য,এ ছাড়াও আমাদের সরকার ইইউকে অনুরোধ করবে যাতে অবরোধ তুলে নেয়।"
মি হেগ বিরোধীদলীয় নেত্রী অং সাং সুকির সাথে দেখা করেন ও তাকে আশ্বস্ত করেন ব্রিটিশ সর্মথন এর ব্যাপারে যা ব্রিটিশ সরকার বার্মায় গনতন্ত্র ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রতি দিয়ে আসছে।এছাড়া তিনি অন্যান্য বিরোধী দল  যার মধ্যে ৮৮ জেনারেশন ও প্রাক্তন রাজবন্দীরাও ছিল।
মিঃ হেগ এছাড়াও আঞ্চলিক নেতৃবৃন্দ ও গোত্র নেতাদের সাথে দেখা করেন যাদের মধ্যে ছিলেন কাচিন,রোহিঙা,সান,রাখাইন,চিন,মন,কারেন ও কারেন্নি ।তিনি তাদের কাছে তাদের এই সরকারের কাছে আশা ও প্রত্যাশার ব্যাপারে জানতে চান।বক্তব্যে মিঃহেগ বলেন,"আমরা আঞ্চলিক গোষ্ঠী ও গোত্রদের সাথে  কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করছি তারা যে সমস্ত পরিস্থিতির মুখে পড়েন সেগুলো সম্পর্কে অভিহিত থাকার চেষ্টা করছি।"তার এই বক্তব্য রোহিঙা ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠী যারা নির্যাতন এর স্বীকার হন তাদের হৃদয় ও মনে আশার সঞ্চার করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন,"আমি আরো খুশি এই ভেবে যে আমি সেখান থেকে প্রত্যাবর্তনের পর অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটেছে যেগুলোর ব্যাপারে আমি সরকারের সাথে কথা বলেছি।এর মাঝে রয়েছে,১২ জানুয়ারী কেএনইউ ও সরকারের মধ্যে সংগঠিত হওয়া শান্তিচুক্তি যার ফলে গত ৬৩ বছরের সংঘর্ষের সমাপ্তি ঘটেছে এছাড়া তিনি ১৩ জানুয়ারী রাজবন্দীদের মুক্তিকে স্বাগত জানান।"ব্রিটিশ সরকার বার্মার ঘটনাসমূহ পর্যবেক্ষন করবে এবং আমরা যাবতীয় সংস্কার কার্যক্রম এর প্রতি সর্মথন জানাব এবং আশা করব যাতে বার্মিজ সরকার মানবাধিকার নিশ্চিত করবে বিশেষ করে যে সমস্ত ক্ষেত্রে ও অঞ্চলে জাতিগত দাঙ্গা হয়ে আসছে," যোগ করেন উইলিয়াম হেগ।
আরো জানার জন্য যোগাযোগ করুনঃ
নুরুল ইসলাম +৪৪ ৭৯৪৭৮৫৪৬৫২
আমান উল্লাহ  +৮৮০-১৫৫৮৪৮৬৯১০